Skip to main content

Posts

Athens trip

লালের প্রতি একটা দূর্বলতা বোধহয় আমার মত অনেকেরই আছে। শ‍্যামলা আর কালো রঙে লাল রঙ বড্ড বেশি মানায় বলে আমার ধারণা। লাল বেনারসী পরে তার আলোর ছটায় দশদিক আলো করেন স্বয়ং মা কালী। লাল রঙ আমাদের কাছে শুভ,লাল রঙ নারীকে করে লাবণ‍্যময়ী। আর তাই বোধহয় জীবন থেকে লাল কেড়ে নেওয়ার লোকেরও কোন অভাব নেই। যে কোন কারণেই আগেই লালকে সরিয়ে দেওয়া হয় জীবন থেকে তোমাকে অসুন্দর করার জন‍্য। আমরাও লোকে কু কথা বলবে এই ভেবে পছন্দের রঙখানা পরতে ইচ্ছে হলেও তা গায়ে চড়ানোর সাহস পাই না অনেক সময়ই। বছর দুয়েক আগে আমি কোন একটা বিয়েতে লাল বেনারসী পরে নাকি আত্মীয়মহলে সমালোচিত হয়েছিলাম। আমি অবশ‍্য সেটা উপভোগ করেছিলাম,কে জানে এখন এই বয়েসে এসে সমালোচনাটা খুব উপভোগ করি। নিজেকে বেশ সেলেব সেলেব মনে হয়। আনন্দ পাই এই ভেবে যে আমাকে নিয়েও মানুষ ভেবে কত্ত সময় নষ্ট করে। আমি যতটুকু রঙ বুঝি তাতে জানি শ‍্যামাদের রূপ খোলতাই হয় গাঢ় রঙে। বয়েসের সাথে সাথে নিশ্চয় পরিণত হতে হয়,বয়স্ক হতে হয়। তবে নিজেকে বেশি বয়স্ক ভাবতে শুরু করলে অকালে বুড়িয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই থাকে না জীবনে।             এবার বেড়াতে গিয়েছিলাম একখানা ল...
অসুস্থ অবস্থায় মা এলেন মালদা থেকে,তাকে নার্সিংহোমে দিলাম। তারপর টানা পাঁচদিনের ভুল চিকিৎসার মাসুল স্বরূপ তখন সারা শরীর ফুলে ঢোল। বন্ড সই করে বাড়ি আনলাম ঐ অবস্থায় কোথাও ভর্তি না করতে পেরে অগত‍্যা ক‍্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করলাম। যদিও ছেলের মত ছিল না তবুও নিরুপায় হয়ে সেখানেই দেওয়া। ও তখন ওখানে এম এস করছে। ছেলের পড়ার জায়গাতে এর আগে ভর্তির সময় একবার গেলেও মায়ের জন‍্য প্রতিদিনই এবেলা ওবেলা যেতে হত। স্কুল ফেরত অনেকটা সময় মায়ের কাছে কাটিয়ে বাড়ি ফিরতাম,বেশিরভাগ ছেলের সাথে দেখা হত না। একটা ফোন করে বেরিয়ে আসতাম,কখনও বা দেখা হত।     সেই সময় দেখেছি সরকারী হসপিটালে ডাক্তারদের ওপরে কথা বলে আয়া মাসীরা আর যারা ট্রলি টানে বা মেল অ্যাটেন্ডেন্ট তারাও। আর সিকিউরিটিদের তো কথাই নেই। আমার চব্বিশ ঘন্টার কার্ড ইস‍্যু করা সত্ত্বেও অনেকভাবে হেনস্থা হতে হয়েছে। মাকে ইউএসজি করাতে অথবা অন‍্য কোন ডিপার্টমেন্টে নিয়ে যেতে হলে পাওয়া যায়নি কাউকেই।        চারদিকে শুধু কাজের হিসেবে ফাঁকি আর রোগীদের সাথে তো বটেই এবং কখনও কখনও ডাক্তারদের সাথেও দেখেছি এদের খারাপ ব‍্যবহার করতে। দীর্ঘ সময় থাক...