Skip to main content

Posts

রচনা: স্বচ্ছতা পাখওয়াদা ভূমিকা পরিচ্ছন্নতা সুস্থ ও সুন্দর জীবনের মূল ভিত্তি। মহাত্মা গান্ধীর পরিচ্ছন্ন ভারতের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে ভারত সরকার 'স্বচ্ছ ভারত মিশন' শুরু করে। এই মিশনেরই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সফল অংশ হলো 'স্বচ্ছতা পাখওয়াদা' । সূচনা ও অর্থ ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। 'পাখওয়াদা' শব্দের অর্থ হলো 'পক্ষ' বা ১৫ দিন । অর্থাৎ, এটি হলো ১৫ দিনব্যাপী দেশজুড়ে পরিচালিত একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান। বছরের বিভিন্ন সময়ে সরকারের একেকটি মন্ত্রক, বিদ্যালয় ও সংস্থা নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে এই উৎসব পালন করে। প্রধান উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো পরিচ্ছন্নতাকে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করা। এই ১৫ দিনে নানা ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়, যেমন: স্বচ্ছতা শপথ: কর্মসূচির শুরুতে সবাই মিলে চারপাশ পরিষ্কার রাখার শপথ নেন। সাফাই অভিযান: অফিস, বিদ্যালয়, রাস্তাঘাট এবং জনবহুল এলাকা শ্রমদানের মাধ্যমে পরিষ্কার করা হয়। সচেতনতা বৃদ্ধি: প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা, যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলা এবং বর্জ্য আলাদা করার বিষয়ে ...
Recent posts

marks of class test

Priya sardar_ 16.6_ 11+6+19+23+24+12+22+15+12+08 Tabassum_ 11+12+12+08 Nishu _11+8+18+23+25+18+17+10+38+25+9+18+13+24+22+12+27×20+25 Rina_ 33+14+06+11+19+14+12+10+14+10+10+17+23+23+18+16+13 2+7 ( midday meal)
আমার পরিবারে আপনাকে স্বাগত জানাই...আমি আপনার পরিবারে এলাম,আপনিও আসবেন আমার পরিবারে। ইত‍্যাদি অনেক কথা আমরা প্রায়শই দেখে থাকি। সত‍্যিই কী এই নেটজগতের মানুষজন আমাদের পরিবার হতে পারে? আমাদের দুঃখ,ব‍্যথা কী তাদের সেভাবে ছুঁয়ে যায়? অথচ আমরা আমাদের রাগ আর মন খারাপের মুহূর্তে অনেক ব‍্যক্তিগত কথা শেয়ার করে ফেলি সেখানে কখনও লাইভ করে,বা লিখে। পরিবারের মত আগলে রাখা,পরিবারের পাশে থাকা সহজ কথা নয়। বন্ধু সবাই হতে পারে না বা বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখার মুরোদ সবার থাকে না। যে সময়টা আমরা আমাদের স্বামী,সন্তান,মা,বাবা,দাদা,দিদি,মামা,পিশি,কাকুকে দিতে পারি সে সময়টা এখনকার যুগে আমরা অপচয় করে ফেলি অন‍্য পরিবারের জন‍্য যাদের অনেকেই আমাদের অপরিচিত। একটা কথা জানবেন অপরিচিত অনেক মানুষের আমাদের জানার ইচ্ছে থাকে। যেই আপনাকে জানা বোঝা শেষ,কথাও শেষ।তবুও ঐ যে আমার লেখা কটা কথাই আবার বলতে হয়, প্রয়োজন শেষে যারা রয়ে গেল পাশে তারাই আসল প্রিয়জন। এমন প্রিয়জন আমারও কয়েকজন আছেন। আমার মা,বাবা নেই তবুও আমি আমার যাঁরা প্রিয়জন আছেন,যাদের স্নেহ পেয়েছি বড় হবার এই সুদীর্ঘ যাত্রাপথে তাঁদের খোঁজ খবর নিই যতটা পারি। হয়ত আমি অপ্রয়োজনীয় তাঁদের...
সালটা দুহাজার এগারো,মেয়েটা তখন বেশ ছোট,ছেলেটা সে বছরেই কলেজে ঢুকেছে। আর আমার মেয়ের কথায় আমরা তখন খুব গরীব ছিলাম। তবে সে আরও বলে তখন আমাদের মুঠোতে সুখ ছিল,আমরা তখন বেঁধে বেঁধে ছিলাম। ডাইনিং স্পেশে পাতা পুরোনো সোফাটায় আমি বসে শনিবার রাতে ডিডি ন‍্যাশনালে সিনেমা দেখতাম আর বুধবারে দেখতাম চিত্রহার। কখনও ওরাও এসে বসত আমার কোলে পিঠে,একসাথে বসে আমাদের চলত কত কথা আর ওদের দুই ভাইবোনের খুনশুটি। কখনও বা ঝগড়া আর মারামারিও হত,ধুপধাপ তাল পড়ত পিঠে। ওদের বাবা অফিস থেকে এলে দুজনেই উৎসুক হয়ে তাকাতো বাবার হাতের দিকে,তারপর পড়ার মাঝে জুটত ব্রেক বাবার আসার উপলক্ষে চপ,বেগুনী আর চুরমুর সেলিব্রেশনে। আমাদের হাতে তখন ফোন এলেও মুঠোতে বিশ্ব ছিল না,ছিল না ফেসবুক পাড়ায় যখন তখন ভ্রমণ। আমরা একই ছাদের তলায় বাস করেও আলাদা ছিলাম না,আমাদের অনলাইন শপিং ছিল না তখন তাই ছেলেমেয়েদের নিয়ে শপিং করে কিছু খেয়ে ফেরার দিনগুলো খুব আনন্দের ছিল। ছেলের দীর্ঘ পরীক্ষার সমাপ্তির পর আমরা চলে গিয়েছিলাম তালসারিতে। গত দুদিন ধরে তালসারির কথা এত পড়ছি যে আজ হঠাৎই মনে হল আমরাও তো গেছিলাম তালসারিতে। ছবিগুলো অ্যালবাম করে রাখা ছিল বলে পেলাম। আমাদের মধ‍...

খাট

কাবেরীর বিয়ের সময় একখানা বিরাট খাট দিয়েছিলেন বাবা,ঠিক যেন ফুটবল খেলার মাঠ। সত‍্যি কথা বলতে তখন নিজের বিয়ের শাড়ি,গয়না বা আসবাব তেমন পছন্দের কোন বালাই ছিল না। ঐ ওঠ ছুড়ি তোর বের মত অবস্থা। মায়েরা মাসি পিসিদের সাথে মিলেমিশে কিনতেন কয়েকটা শাড়ি,আর একখানা লাল টুকটুকে বেনারসী,না হলে কখনও কালচে লাল একটু চাপা রঙের মেয়েদের জন‍্য। ব‍্যাস মায়ের গয়নার বাক্সের কিছু গয়না আর স‍্যাকরার দোকানের গয়নাগাটি,বাবার পছন্দের খাট আলমারি,ড্রেসিং টেবিলে লোকজন খাইয়ে মোটামুটি বিয়েটা হয়ে যেত। বিয়ের আগে এখনকার মত নানা বাঙালী আর অবাঙ্গালী অনুষ্ঠানের মিলমিশ তখন ছিল না।    কাবেরী শ্বশুরবাড়ি এল,ওর ঘরে পাতা হল বাবার দেওয়া সেই বড় খাটখানা,আলমারি আর ড্রেসিং টেবিল। ফুলশয‍্যার রাতে সেই আয়নাতে নিজেকে দেখেছিল কাবেরী,তারপর এসে বসেছিল সাজানো খাটে। তবে ফুলশয‍্যার রাতে প্রকাশ তাকে বুকের মাঝটায় জাপ্টে ধরে রাতের অনেকটা সময় কাটিয়ে দিয়েছিল। রজনীগন্ধার সুবাস আর ভালোবাসার বাস দুইয়ে মিলে একটা ঘোরে কেটে গিয়েছিল রাতটা। প্রকাশ বলেছিল,'তোমার গায়ে কী মিষ্টি গন্ধ! কী মাখো তুমি?' একটু লজ্জা পেয়েছিল কাবেরী তারপর বলেছিল আজ গন্ধ মাখিয়ে দিয়েছি...

self care

আজকাল একটা কথা খুব শোনা যায় নিজেকে ভালো রাখার কথা। হয়ত বা আমাদের প্রজন্মের মানুষজন এই সেল্ফ কেয়ারের দিকে ঝুঁকেছি একটু হলেও যখন আমরা অনেকেই প্রায় আধবুড়ি। আমাদের পরের প্রজন্ম তার পরের আর তারও পরের প্রজন্ম যা পনেরোতে শিখেছে আমরা শেখার চেষ্টা করছি পঞ্চাশ পেরিয়ে তাও আবার নেটদুনিয়ায় এসে।অথচ এই সেল্ফ কেয়ারের বুলি আমাদের ঠাকুমা,দিদা তো জানতেনই না এমনকি আমাদের মা,কাকিমা,মামিমারাও তেমনভাবে জানতেন না যাদের বয়েস এখন সত্তর থেকে আশির মধ‍্যে। আমার মা বেঁচে থাকলে তাঁরও বয়েস আশি হত এই বছরেই। বসে বসে কত কী ভাবি,মা বাবা থাকলে এই বছর তাদের কত বয়েস হত এইসব আরও কত কী। মাকে কোনদিন দেখিনি সেল্ফ কেয়ার করতে,নিজের পিঠ নিজে চাপড়ে আমার আমি সবচেয়ে দামি বলতে। অথচ মায়ের হাতে টাকা ছিল,সরকারি চাকরি করতেন। কিন্তু তেমনভাবে শাড়ি গয়না কিনতে দেখিনি যেমন আমি কিনি,প্রচুর বাজে খরচ করি জাঙ্ক জুয়েলারী কিনে। এটা অবশ‍্য মায়ের কথা ছিল,মা বলতেন এসব না কিনে টাকা জমিয়ে রাখ পরে ছোটখাটো হলেও সোনার কিছু কিনবি। হেসে বলেছি ধুর অত টাকা কোথায় পাবো? সোনা কিনব যা দিয়ে তাতে কুড়িটা ভালো ইমিটেশন হয়ে যাবে। এখন বুঝি তা কতটা সত‍্যি ছিল। আবার কখনও মন...
কখনোই রাত জাগার তেমন অভ‍্যেস না থাকলেও আজকাল রাত জাগতে ভালো লাগে শ্রীমার,মনে হয় এই রাতটাই ওর একান্ত আপনার জন। শুধু ওর একার একাকীত্ব উপভোগ করার।