Skip to main content

Posts

জীবন যখন যেমন(১২)

জীবন শেখায় অনেক কিছুই,কখনো কাঁদায় আবার কখনো হাসায়।কখনো শেখায় একা পথ চলতে,আর যখন একা একা পথ চলতে শিখে যাই আমরা অথবা নিজেই নিজেকে ভালো রাখতে শিখি তখনই হয়ত মনে হবে বড় হয়ে গেছি এবার।  অফিসের কাজ বুঝতে একটু সময় লাগে দুষ্টুর আর তার মধ‍্যেই বুঝতে পারে নারী পুরুষের পরিপূরক হলেও সমকক্ষ বা নারীকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলে মেনে নিতে একটু খারাপ লাগে অনেকেরই।দুষ্টুকেও একটু হলেও সেই অভিজ্ঞতার শিকার হতে হলো,কিছু কিছু কাজ সমালোচিত হলো। আবার কখনো কানে এলো.." কি কপাল করে এসেছি বলতো,হাঁটুর বয়েসী একটা মেয়েকে সারাক্ষণ ম‍্যাডাম ম‍্যাডাম করে যেতে হবে। উনি চেয়ারে বসে সই করবেন আর আমরা খেটে মরবো!"           তবে চেয়ারে বসার মত যোগ‍্যতা অর্জন করতে যে তিনটে বছর চলে গেছে তা নিজে খুব ভালো বোঝে দুষ্টু তাই একটু একটু করে ধৈর্য্য ধরে মাথা না গরম করে পরিস্থিতি সামলাতে লাগলো দুষ্টু। অবশ‍্য তারজন‍্য অনেক সময়ই গাইড করে ওর জীবনের প্রিয় দুই পুরুষ যারা হয়ত একটু করে এগিয়ে দিয়েছিলো ওকে শিখরের দিকে।         অদ্ভুতভাবে বাবা আর দীপ্তদা এক কথা বলে," ভয় পাবিনা,আর ,হাল ছাড়বিনা তাহলে শেষ চা...

জীবন যখন যেমন১১

দুষ্টু দৌড়ে গাড়ি থেকে নেমে এসে ছুটে যায় গাড়ির সামনে ওর হাসিতে নিঃশব্দ প্রকৃতি হেসে ওঠে না কেঁপে ওঠে খুবই বলা মুশকিল..." হোয়াট আ সারপ্রাইজ! মামু,মিমি,ছোটমাসি তোমরা সবাই! আমি তো ভাবতেই পারছিনা।ইশ্ আমরা তো ভেবেছি ডাকাত পড়েছে।"         জোজো আর দীপ্ত কি করবে ঠিক বুঝতে পারেনা তবে মিষ্টি জোজোর হাত ছেড়ে নেমে এসেছে রাস্তায়।       কৃষ্ণমামা আর ওদের ছোটমাসি বেবি বলে.." জামাইবাবুর কাছে শুনলাম তোরা এখানে। খুব পাজি হয়েছিস তোরা,এত কাছে এসে দেখা করলিনা? দাদুরা দিদারা সবাই মন খারাপ করছে। তাই আমরা এসেছি ধরে নিয়ে যেতে।"              " জোজোদার সাথে আর কদিন বাদে হবে দিদির বিয়ে মাসি,তাই ওদের একটু সঙ্কোচ আছে। সেইজন‍্য এবার আর যাবোনা। তোমরা কোথায় এসেছো?"         যে কথাগুলো ওদের মধ‍্যে হয়েছিল তা দুষ্টু অবলীলা ক্রমেই বলে যায়।মিষ্টিকে জড়িয়ে ধরেছে ওর মাসি," কি সুন্দর হয়েছিস রে দেখতে! কতদিন বাদে দেখলাম।"       জোজো আর দীপ্ত গাড়ি থেকে নেমে এসেছে।ততক্ষণে ওরা জানতে পেরেছে যে ওদের ওখানেই গেছিলো ওরা দলবেঁধে।তারপর ওরা...

জীবন যখন যেমন(১০)

পরিচ্ছন্ন হয়ে নিজের ঘরে এসে বিছানায় শরীর এলিয়ে দেয় রবীন কেন যেন খুব শান্তি লাগছে আজ, মনে হচ্ছে জীবনটা বড় সুন্দর। হয়ত এর থেকে আর বেশি কিছু চাওয়া সন্তানের কাছে থাকতে পারেনা।       সন্তান যখন তাকে বড় করার পেছনে বাবা মায়ের অবদান, তাদের কষ্ট অথবা ভালোবাসা দিয়ে তাদের ঘিরে রাখাটা বুঝতে পারে সেটাই হয়ত অনেক বড় প্রাপ্তি। দুষ্টু যেমন বুঝেছে বাবা কতটা ভালোবাসে ওকে যে ওর না পাওয়ার যন্ত্রণাটুকু জানতে পেরেই ছুটে এসেছে পাগলের মতো।       বালিশে মাথাটা রাখার সাথে সাথে মস্তিষ্ক কিন্তু বিশ্রাম নেয়না,সে তার নিজের খেয়ালে চিন্তা করে যায়। নিজের করণীয় কাজগুলো সবসময় মনের ডায়েরির খোপে গুছিয়ে নেয় আগে থেকেই রবীন।     যদিও দুই মেয়েই বকুনি দেয়," বাবা এতো কিছু মাথায় রেখোনা পরপর লিখে রাখো কি কি কাজ করবে। নাহলে ফোনে নোট করে নাও।"       রবীন হেসেছে," ওরে মাথারও চর্চা করা জরুরী নাহলে ও বেটাও মজা পেয়ে যাবে আর কাজ করবেনা।"           মাঝে একটা দিন তারপরই মিষ্টির আশীর্বাদ, যদিও অনেক কাজ গুছোনো হয়ে গেছে তবুও বাকিটা সেরে ফেলতে হবে।এই কদিন ...