ফর্সা,সুন্দরী,উচ্চশিক্ষিতা কায়স্থ পাত্রী চাই....
পাত্রী চাই কলমে চোখ রাখে কুন্তলা, একের পর এক আ্যড দেখতে থাকে। উফফ্ কিছুই বাদ নেই রে বাবা। সব চাই,সুন্দরী হতে হবে,লম্বা হতে হবে আবার বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে হতে হবে,উচ্চশিক্ষিতা হতে হবে চাহিদার আর শেষ নেই। কি যে চায় এরা কে জানে?
না না কুন্তলা নিজের জন্য পাত্র দেখছে না। ও বিয়ের বয়স পার করে এসেছে কবেই। তবুও এক যায়গায় এসে চোখটা আটকে যায় কুন্তলার।
....... রুচিশীলা শিক্ষিতা পাত্রী চাই পাত্রের বয়স ৫৫, কলেজের প্রফেসর। পাত্রী উইডো বা ডিভোর্সি হলেও আপত্তি নেই। হাসি পেয়ে যায় কুন্তলার লোকের শখও মন্দ নয়। এতদিন কি করছিলি বাপু?এই বয়সে বিয়ের সাধ জাগলো। দিনে দিনে যে কত কি হবে।
অনন্যা টা আজও অফিসে গেছে,আইটি সেক্টরের চাকরি অনেক সময়েই সিফ্টিং ডিউটি থাকে।
বাড়ি থেকে বেরিয়ে এয়ারপোর্টে আসা পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই একটা ছোটখাটো কনটেন্টের ওপর শর্টস বানিয়ে নেবে ভেবেছে পিউলি। তারপর যখন এয়ারপোর্টে ওয়েট করবে তখন আরেকটা ছোট ভ্লগ বানাবে সাথে থাকবে প্লেনের টুকিটাকি গল্প। দেশে ফেরার আনন্দের সাথে অবশ্যই মাথায় আছে রেগুলার ভিডিও আপডেট দেওয়ার ব্যাপারটা। আর এই রেগুলারিটি মেনটেইন করছে বলেই তো কত ফলোয়ার্স হয়েছে এখন ওর। সত্যি কথা বলতে কী এটাই এখন ওর পরিবার হয়ে গেছে। সারাটা দিনই তো এই পরিবারের কী ভালো লাগবে সেই অনুযায়ী কনটেন্ট ক্রিয়েট করে চলেছে। এতদিনের অভিজ্ঞতায় মোটামুটি বুঝে গেছে যে খাওয়াদাওয়া,ঘরকন্নার খুঁটিনাটি,রূপচর্চা,বেড়ানো এইসব নিয়ে রীলস বেশ চলে। কনটেন্টে নতুনত্ব না থাকলে শুধু থোবড়া দেখিয়ে ফেমাস হওয়া যায় না। উহ কী খাটুনি! তবে অ্যাকাউন্টে যখন রোজগারের টাকা ঢোকে তখন তো দিল একদম গার্ডেন হয়ে যায় খুশিতে। নেট দুনিয়ায় এখন পিউলিকে অনেকেই চেনে,তবে তাতে খুশি নয় সে। একেকজনের ভ্লগ দেখে তো রীতিমত আপসেট লাগে কত ফলোয়ার্স! মনে হয় প্রমোট করা প্রোফাইল। সে যাকগে নিজেকে সাকসেসফুল কনটেন্ট ক্রিয়েটার হিসেবে দেখতে চায় পিউল। এখন সামার ভ্যাকেশন চলছে...
Comments
Post a Comment