সেদিন ছিলো কি যেন মাস..
মনে পড়েনা আজ ভালো করে।
তোমায় দেখেছিলাম আবার,
প্রায় পাঁচ ছয় বছর পরে।
অনেক বদলে গেছো তুমি,
চশমার ফ্রেমটাও পাল্টে গেছে।
জানতে ইচ্ছে করছিলো খুব,
মনটা কি তোমার তেমন আছে?
এক সময় ঐ মনের মাঝে,
আমার ছিলো অবাধ বাস।
আজও দেখি তোমার চোখে,
বৃষ্টি ভরা শ্রাবণ মাস।
এখন তুমি অন্য কারো
হয়ত অনেক বেশিই সুখি
আমিও কিন্তু খুব খারাপ নেই
আছি নিজের মুখোমুখি।
হাত তুলেছিলাম ডাকবো বলে
কথাগুলো আর হয়নি বলা।
এক দমকা কান্না এসে
হঠাৎ ঝাপসা করেছিলো গলা।
ভিড়ের মাঝে আজও খুঁজি
আমাদের হারানো ভালোবাসাকে।
যা যায় তা শুধুই যে যায়,
স্মৃতিটুকুই শুধু বেঁচে থাকে।
#এক_লাইনের_গল্প#
পূজো মানেই বাবার হাত ধরে ঠাকুর দেখার কথা মনে পড়ে যায়।
#আকাশের ঠিকানায়#
আসছে পূজা বছর পরে
মনটা তবুও কেমন করে।
সারাদিনের কাজের ভীড়ে
তোমায় শুধু মনে পড়ে।
সবই আছে,যেমন ছিলো,
তোমার মানাও আছে ভালো।
বুকের মাঝে লুকিয়ে ব্যাথা,
হাসিমুখে বলছে কথা।
মানার এখন কত্ত কাজ,
রান্নাবান্না, গোছগাছ।
কেমন আছো নতুন দেশে?
ওখানেও কি দুগ্গা আসে?
তোমারও কি পড়ছে মনে
মানার কথা পূজোর দিনে?
বিশ্বকর্মা ঠাকুর তুমি,
শুধুই একটু দেখো।
কারখানা আর শিল্পগুলো,
বাঁচিয়ে তুমি রেখো।
চালু হোক বন্ধ কারখানা,
বেকারত্ব হোক দূর।
আলো দেখুক যুবসমাজ,
উদ্যমে হোক ভরপুর।
পূজোর ঘটায় আড়ম্বর,
ফূর্তির চলে জোয়ার।
কত লোকের ভাত জোটেনা
খবর কে রাখে তার?
#বন্ধনে_রেখো_রাখী#
#রুমাশ্রী_সাহা_চৌধুরী#
"বোন দাঁড়া আমি আসছি বলছি। একা যাবিনা পড়তে।"..."তোর জন্য দি আমি আর বড় হবোনা কোনদিন,সবসময় শুধু নজরদারি। কোন ছেলে পর্যন্ত ঘেঁষেনা আমার কাছে তোর ভয়ে।"
"না না আমার মস্তানদির কথা বলছি,চিরকাল পাহারা দিয়েছে এমন করে। এখন তো আমি চাকরি করছি আর কত সামলাবি শুনি?"
"তোর এই প্রতিদিন দেরি করে আসা এবার বন্ধ কর,মা বাবাকে আর কত সামলাবো আমি?"
..."এই দি চোখটা বন্ধ করনা একটু,গলাটা জড়িয়ে ধরে ওর হাতে রাখীটা পরিয়ে দিতে দিতে মুখে চকোলেট আর আমার প্রথম মাইনেতে কেনা ঘড়িটা দিতে দিতে বললাম," হ্যাপি রক্ষাবন্ধন দি। মানে আমার রক্ষাকর্তা। ভাইবোন,দি সবই তো তুই।....চোখের কোণটা আনন্দে চিকচিক করে উঠলো দির," পাগলী একটা ! কবে বড় হবি শুনি?"
***************************
"বাবা একটা রাখী এনে দিয়োনা গো।"...."কাকে পরাবি শুনি? তোর তো ভাই নেই।"...ছোট্ট মিমির বায়নাতে আনতেই হয়েছিলো রাখী বাবাকে তার সাথে একটা পুচকে ডেয়ারী মিল্কের প্যাকেটও। খুব ভাইয়ের বায়না ছিলো মিমির তবে ওর মা জানতো অপারেশনের পর আর ভাইবোন কেউই আসবেনা ওর তাই গোপালঠাকুরকে দেখিয়ে বলেছিলো," ঐ তো তোর ভাই"। তারপরে আর বলতে হয়নি কিছু কোনদিন শুধু বায়না মেটাতে হয়েছে।
মাঝে কেটে গেছে অনেকগুলো বছর মিমি এখন পাকা গিন্নী। রিয়ম হাঁক মারে,"এই যে মহারাণী তোমার ভাইয়ের জন্য রাখী গিফ্ট সব এসে গেছে। এমন শালাবাবু জন্মেও দেখিনি,দিদির পেছন পেছন এক্কেবারে দিদির শ্বশুরবাড়ি এসে হাজির হয়।"...." এই যে আমার ভাইকে নিয়ে একটাও বাজে কথা নয়।"...হেসে ফেলে রিয়ম," হ্যাঁ ওনাকে ঘুষ দিয়েই তো দিদিকে কাছে পেতে হয়।"
*******************
মা বাঁদরটা কই শুনি? অফিস থেকে তাড়াতাড়ি এলাম ওর জন্য আর এখনো আসেনি!"...."আজও তুমি ওকে বাঁদর বলে ডাকবে বৌমা,আমার ছেলেটাকে আদর দিয়ে বাঁদর তো তুমিই বানিয়েছো।...." তাই নাকি মা? আগে ল্যাজটা যা বড় ছিলো এখন অনেক ছোট হয়েছে।"
বিয়ের দিনই আব্দার রেখেছিলো ওর একমাত্র ছোট দেওর..." এই যে আমি অত বৌদি টৌদি বলতে পারবোনা। মধুরাদি বলবো না না শুধু দিদি বলবো। অনেকদিনের শখ।"..."তাহলে তো কানমলাও খেতে হবে মাঝে মাঝে।"..."ও আমার অভ্যেস আছে।"
বরের থেকে দশ বছরের ছোট ভাইটাকে কখন যে অপত্যস্নেহে ভালোবেসেছিলো বুঝতেই পারেনি। সব বায়নাই করতো ওর কাছে।
....." বান্দা হাজির দিদি,আগে গিফ্ট দেখাও পছন্দ হলে হাত দেবো।"...." তবে রে! প্রত্যেকবার এক নাটক।"
পেছন থেকে মধুরার হাতে গানের সিডি আর গল্পের বই ধরিয়ে দিয়ে বললো,"এই জন্যই একটু দেরি হয়ে গেলো।....দাও এবার তোমার রক্ষামন্ত্রপূত রাখী।"
সম্পর্কগুলো এমনি শক্তবন্ধনে থাক মিষ্টি রাখীর জন্য।
****************
...."এমন পোড়াকপাল কারো আছে আমি তো জানিনা।কোথায় বেয়ানকে সাথে নিয়ে একটু ঠাট্টামশকরা করবো তা নয়তো সব গেলো জলে।"...ছেলের বিয়ে দিয়েছিলেন এক দেখাতেই পছন্দ করে খুব ভালো লেগেছিলো পরিবারটা। কিন্তু হঠাৎই বেয়াইমশাই চলে গেলেন। তারপর আর দেরি করেননি ছেলেকে বলে বেয়ানকে নিয়ে এসেছিলেন একদম নিজেদের বাড়ির একতলায়। " না না বাড়ির বৌমা সারাক্ষণ বাপের বাড়ির দিকে মন রেখে যদি মনখারাপ করে বসে থাকে তাহলে চলবে কি করে? তার থেকে এই বেশ ভালো একসাথে থাকবো তিনটে বুড়োবুড়ি।"....বেয়ান থেকে কখন যে চন্দ্রা ছোটবোন হয়ে গিয়েছিলো বুঝতেই পারেননি শংকর। " দাদা হাতটা দিন দেখি। আর এই মিষ্টিগুলো কিন্তু খেতেই হবে। আপনার পছন্দের নকুড়ের সন্দেশ।"....." গেলো গেলো সব গেলো ঠাট্টা করবো কোথায় তা নয়তো দাদা। সব আমার গিন্নীর চক্রান্ত সব বুঝি।"
......" দাদা ছাড়া আর কিছু যে ভাবতে পারিনা আপনাকে। শুধুই কি রক্তের সম্পর্কই সব?".....এ এক অন্য বন্ধন,যা যত্নে বেঁধে রেখেছে সম্পর্কগুলোকে।
*****************
"এই যে অনেকক্ষণ ধরে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি কলেজের সামনে তোর পরীক্ষা দিয়ে বেরোতে এতো দেরি হলো কেন শুনি?"..." তুমি কেনো এসেছো? দি কোথায়?আমি তোমার বাইকে যাবোনা। ছেলেরা পেছনে লাগবে।"..."মারবো টেনে এক থাপ্পড়,সেই নেড়ু কাল থেকে এতো বড় করলাম। ছেলেরা পেছনে লাগবে। তবেরে...আয় ফুচকা খাবি।"
ছোটভাই আর বোনের জন্য কিছুতেই বিয়েতে মত দিচ্ছিলোনা উমা। বাবা নেই ওদের কে দেখবে? তারপর থেকেই নিজের ভাইবোনের মতই ওদের দায়িত্ব নিয়েছে প্রশান্ত। দেখতে দেখতে ওরাও বড় হয়ে গেলো।
......" এই শার্টটা শুধু তোমাকেই মানায় জামাইবাবু,কাঁচাপাকা চুলে নীল শার্ট দুর্দান্ত লাগবে। দেখি দেখি এবার হয়ে যাক একটা সেল্ফি।"
....."এদিকে জামাইবাবুও বলবি,আবার রাখীও পরাবি। কি যে করিসনা!"
...."তুমি আমার টু ইন ওয়ান দাদা+জাম্বো। তাইতো তোমায় এতো ভালোবাসি। ভালো থেকো আমার মিষ্টি জামাইবাবু।"....হাসে উমা,সত্যিই প্রশান্তর তুলনা হয়না।
রাখীর লাল হলুদ সুতো যত্নে রেখো বাঁধনগুলো। আলগা হতে দিয়োনা।
......
রাখীবন্ধন বাড়াক ভালোবাসা,
ভাইরা নিক এই শপথ।
রক্ষা করবো তোদের বোন
যতই আসুক ঘোর বিপদ।
অসম্মানিত যদি হয় কোথাও,
আমার বোন বা অন্যের বোন।
প্রতিবাদ হোক সার্বজনীন
ভেবে তাদের আপনজন।
হয়ত আবার সময় এসেছে,
নতুন করে শপথ নেবার
অস্ত্র ধরতে হব না পিছপা,
যদি কখনো পড়ে দরকার।
রাখীবন্ধন হোক ভালোবাসার,
স্বপ্নে ভরুক বোনেদের আঁখি।
শপথ হোক আজকের দিনে,
বাঁচাবো তোকে যেখানেই থাকি।
সৌভ্রাতৃত্বের পবিত্র সম্পর্কে,
আবদ্ধ হোক বিশ্বের জনগণ।
ভালো থাক,সম্মানে বাঁচুক,
পৃথিবীর বুকে সব ভাইবোন।
ভালো যদি না করতেই পারো
মন্দ কারোর নাই বা করলে।
কতটা সুখ পেতে পারো মনে,
কারো কান্নার কারণ হলে।
হাসতে লাগেনা অতিরিক্ত কর,
তাইতো হাসিটা ছড়িয়ে দাও।
শত্রুতাকে একপাশে সরিয়ে রেখে,
আনন্দকে ভাগ করে নাও।
নিজের সুবিধা দেখতে গিয়ে
অন্যকে অসুবিধেয় ফেলোনা।
ভরসা করে যে শুধু তোমাকে,
বিপদে তাকে ছেড়োনা।
সুখের দিনের বন্ধু ভাই
অনেকেই তো হতে পারে।
দুঃখের দিনে যে এলো পাশে
এইসময় চিনে নাও তারে।
মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ
কথাটা মানতে চেষ্টা করি।
তবুও কখনো ভাঙে বিশ্বাস
হয়ত জীবনে ঠকেই মরি।
ভাঙা আর গড়া নিয়েই জীবন
গড়তে চেয়েই থাকি খুশি,
তাইতো এখনো বিশ্বাস করি
ভালো মানুষই সংখ্যায় বেশি।
অন্যায় করে ও ভালোই আছে..
কি হবে ভালো কাজ করে?
এমন কথা অনেকেই ভাবে
তাই খারাপ কাজ করতে পারে।
হিসেব নিকেশের পাল্লাটা ভাই
ভীষণ কড়া আর ওজনে ভারী
অন্যায় করে কেউ পায়না ছাড়
যতই আমরা মনে করি।
সবচেয়ে ধনী সেই হয়
যার দুই চোখ স্বপ্ন দেখে
স্বপ্ন ছাড়া জীবন যার
কি হবে পকেটে টাকা রেখে?
ক্ষমতা থাক বা নাই থাক
স্বপ্ন দেখো দুচোখ ভরে।
হাসিটা ধরে রেখো মুখের মাঝে
প্রতিদিন বেঁচো নতুন করে।
ছোটবেলার আড়ি ভাবই
ছিলো অনেক ভালো।
বুড়ো আঙুল ঠেকিয়ে নিলেই,
ফুটতো মুখে খুশির আলো।
ফ্রেন্ডলিষ্ট আর ফোনবুকে
আছে কয়েক হাজার জন।
তবুও কেনো অনেক ভীড়ে
আজ বড় একলা মন।
ইগো,ডিপ্রেসন,আনফ্রেন্ড,ব্লক
জটিল জটিল কথা
সাহস থাকুক মনের মাঝে,
আত্মপ্রত্যয় হোক নিশ্চিত।
চিন্তা কোরনা হবেই হবে,
একদিন তোমারই জিত।
কে কি বললো কান দিয়োনা,
ওরা শুধুই নিছক দর্শক।
গভীর আত্মবিশ্বাস হোক শুধুই,
সবার জীবনের পথ প্রর্দশক।
সময়কে কাজে লাগিয়ে ফেলো
নয়ত একদিন হবেই কষ্ট
যাদের জন্য মরলে ভেবে
সেটা ছিলো শুধুই সময় নষ্ট
অন্যের পছন্দ কমই ভাবো
নিজের ইচ্ছেকে মূল্য দাও
ভালোলাগা গুলো বাঁচিয়ে রেখে
হাসিমুখে জীবনে এগিয়ে যাও।
সবার চেয়ে দামী জেনো
নিজের কাছে তুমিই নিজে
তাদের থেকে মুখ ফেরাও
যারা তোমায় রাখছে নীচে
আত্মসম্মান বড়ই দামী
বিলিয়ে দিয়োনা কখনোই
আত্মপ্রত্যয় অটুট রেখো
জিৎ তোমার হবে হবেই।
অনেক খারাপ লাগার মাঝে
একটু ভালোলাগা বাঁচিয়ে রেখো
মনটাকে যত্নে আড়াল করে
সবসময় নিজে ভালো থেকো।
তোমার ভালো থাকার ওপর
নির্ভর করছে অনেক কিছু
জীবনযুদ্ধে ভয় পেয়োনা
কখনোই হটবেনা পিছু।
সব চাওয়া যদি পাওয়াই হতো
আনন্দ হতো অসম্পুর্ণ।
কিছু না পাওয়া আছে বলেই
জীবনপাত্র পরিপূর্ণ।
যতটুকু পাওনা আছে তোমার
কেউ কেড়ে নিতে পারবেনা।
তাইতো প্রতিমুহূর্ত আনন্দে বাঁচো
অযথা চিন্তা কোরোনা।
সামান্য কিছু পেয়েও যদি....
হতে পারো জীবনে অনেক খুশি।
তাহলেই জানবে দুহাত ভরে,
পাবে না চাওয়ার চেয়েও বেশি।
অতিরিক্ত চাহিদা দুঃখ আনে,
মনে জমে থাকে না পাওয়ার ব্যাথা।
অল্পেতে খুশি হতে জানে যারা....
তাদের হাসিমুখটাই বলে অনেক কথা।
বটুকু দিয়ে চেষ্টা করো...
নিশ্চয় একদিন আসবে জয়।
আত্মবিশ্বাস অটুট থাকুক,
মন থাক দ্বিধাহীন আর নির্ভয়।
কারা কি বলছে ভুলে গিয়ে যদি
নিজের আনন্দে করো কাজ
একটাই কথা মনে করে রেখো
সফল হবেই কাল অথবা আজ।
She was sweet,she was
কটু কথা হয় ছুরির মত,
মনকে করে ক্ষতবিক্ষত।
সঠিক সময়ে সঠিক কথা
বাড়ায় জ্ঞানের গভীরতা।
#yqdada #yqbaba #depression #loveyourself #selfmotivation #workhard
Follow my writings on https://www.yourquote.in/rumasri_mana #yourquote
সব অপমানের জবাব হয়না
অযথা হয়োনা উত্তেজিত।
একটু ধৈর্য যদি রাখো মনে
সময়ই উত্তর দেবে প্রয়োজন মত।
প্রকৃত মানুষ যারা হয় নিজে
জাহির করার তাদের হয়না প্রয়োজন
উদিত সূর্যের আলোর ছটা
দেখতে পায় সারা বিশ্বের জন।
কোনদিন কেউ সাহায্য করলে,
তাকে জীবনে কখনো ভুলোনা।
বন্ধু ভেবে যে ভরসা করেছে,
তাকে কখনো ঠকাতে যেয়োনা।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে....
কখনো করোনা বৃথা সংশয়।
ভালো যদি কাউকে বেসেই থাকো
তা যেন কখনো না হয় অভিনয়।
অনেক করেছি পাইনি কিছুই
এমনটা ভেবে দুঃখ পেয়োনা
কর্ম করে যাও একান্ত মনে
ফলের চিন্তা একদম কোরোনা।
ভালো কাজের ফল ভালোই হয়
একদিন ঠিক প্রমাণ পাবে।
পরিশ্রম কখনো বৃথা যায়না,
নিশ্চয় একদিন সফল হবে।
নিজে যারা ছোট নিজের কাছে
তারাই অপরকে অপমান করে
অন্যকে ছোট দেখিয়ে নিজেকে
সেরা মানুষ বলে মনে করে।
মুখে নিজেকে প্রমাণ না করে
প্রমাণ করো ভালো কাজে।
সেই তো আসলে সবার সেরা,
অন্যকে সম্মান দিতে জানে যে।
আমার আমার বলে যতই চেঁচাও
তোমার আসলে কিছুই নয়।
আজকে যা তোমার আছে,
কাল তা অন্য কারোর হয়।
ছোট ছোট সুখ ভাগ করে নাও
তাতেই আছে অপার সুখ
প্রার্থনা করি বেশি কিছু নয়...
পাই যেন একটু হাসিমুখ।
ব্যক্তিত্ব আর আত্মসম্মান
অর্জন করো ধীরে ধীরে
জীবনের পথে এগিয়ে চলো
শুধু একটু ধৈর্য ধরে।
একদিন জয় তোমারই হবে
নিজের ওপর রেখো বিশ্বাস
কিছুই পাওয়া হলোনা জীবনে
এই ভেবে ফেলোনা দীর্ঘশ্বাস।
অন্য লোকেরা সুখে আছে
এই ভেবে যারা দুঃখ পাও
একটু মনকে জিজ্ঞেস করো
জীবনে কতটা সুখ ধরতে চাও?
তোমার কাছে যেটুকু আছে
অনেকের কাছে সেটুকু নেই
এমনো মানুষ হাসিমুখে আছে
যারা বাস করছে শূন্যতেই।
অন্যের সুখের উৎস না খুঁজে
প্রতিমুহূর্ত উপভোগ করো।
যেটুকু পেয়েছো তৃপ্ত হয়ে
হাসিতে আনন্দে মুঠো ভরো।
জীবনের সব শেষ হয়ে গেলো
কিছুই করার নেই যে আর।
এসব ভেবে কষ্ট পেয়োনা,
কোরোনা দুঃখে মুখটি ভার।
যতটুকু প্রাপ্তি হয়েছে জীবনে,
সেটুকু উপভোগ করো প্রাণভরে।
সময় অল্প তাই কোরোনা নষ্ট,
বৃথাই দুঃখ আর আক্ষেক করে।
Comments
Post a Comment