Skip to main content

Posts

সঙ্গিনী

ট্রেনের জানলার বাইরে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ে মিমিষা,সিগন‍্যাল হয়ে গেছে। একটু বাদেই হয়ত ছাড়বে। নামার আগে সবার আড়ালে একটা উষ্ণতার আলিঙ্গনে বেঁধে দিয়েছে শুভায়ুকে তারপর বলেছে,' খুব মিস্ করব এই দিনগুলোতে। একটুও ভালো লাগবে না আমার।' -' তাহলে এতদিনে আমার প্রেমিকার অকপট স্বীকারোক্তি পেলাম। এতদিন তো সে মোটেই আমাকে পাত্তা দিত না। মনে হত আমি কোথাও চলে গেলেই সে বাঁচে। আমি নাকি তাকে জ্বালাই,পরীক্ষার আগে পড়তে দিই না। সে এবার এম এসসি তে পাশ করতে পারবে না আমার জন‍্য এমন কত কথা..'  -' বলেছি তো,তবে আর ভালো লাগছে না এখন একমাস দেখা হবে না বলে।'  -' এইজন্যই মাঝে মাঝে বিরহ ভালো,স্বয়ং কালিদাস এই কথা বলে গেছেন।'   শুভায়ুর হাতটা চেপে ধরে মিমিষা,' বুঝেছি কাটা জায়গায় নুনের ছিটে দিচ্ছ।'    শুভায়ু হাসে তারপর বলে,' এবার আসুন ম‍্যাডাম,ট্রেনের সিগন‍্যাল হয়ে গেছে। আমিও তোমাকে মিস্ করব। তবে দেখা তো হবেই মাত্র একমাস বাদেই।'     ট্রেন ছেড়ে দিয়েছিলো,স্টেশনে দাঁড়িয়ে হাত নেড়েছিল মিমিষা। ট্রেনের দরজায় অনেকটা সময় দাঁড়িয়েছিল শুভায়ু। একটু একটু করে অস্পষ্ট হয়েছিল মিমিষা। শহরের সীমানা ছাড়ি...
কাঁধে ঢাউস ব‍্যাগটা নিয়ে মলের সিঁড়ি দিয়ে উঠছে মেয়েটা পেছন থেকে দেখে আজও চিনতে কোন ভুল হয়নি নৈঋতের। তবে অবহেলায় ফেলে আসা অতীতকে আবার নতুন করে না দেখে ফেলাই ভালো। তাই মাকে বলে,' মা এদিকে নয়,চল তোমাকে লিফ্টে করে নিয়ে যাব।'   সঞ্চিতাও মেয়েটাকে দেখছিলেন,নৈঋত মাকে খেয়ালই করেনি। তবে এবার খেয়াল করল যে মা এখনও হাঁ করে ওপরের দিকে তাকিয়ে আছে। আর হ‍্যাঁ ওকেই তো দেখছে চোখ গোল গোল করে। অথচ ওর কোন খেয়াল নেই,ভারী কোমরটাকে দুলিয়ে মাথার পনিটেল নাড়িয়ে চলে যাচ্ছে সামনের দিকে।    খুব তো বড় বড় কথা বলেছিল যে ওর অনেক বন্ধু আছে,একটা বন্ধু জীবন থেকে চলে গেলে ওর কিছু আসে না। তাহলে এই ভ‍্যালেন্টাইন ডের দিন সেই একখানা ঢাউস ব‍্যাগ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কেন শুনি?   মাকে এবার তাড়া দেয়,গম্ভীর গলায় বলে,' মা কী দেখছ বলত? আমি যে এতগুলো কথা বললাম তুমি কী কোনটাই শুনলে না?'    হঠাৎই মা ওর হাতটা চেপে ধরে,' ঐ যে দেখেছিস..মহুল না? আরে ঐ যে।'  -' মা কী হচ্ছে? চল ঐদিকে,হ‍্যাঁ আমি দেখেছি। তবে তুমি এবার চল। ও যদি এদিকে তাকায় তো কী ভাববে?'  -' ভাবার কী আছে? একটা সময় কত আমাদের বাড়িতে এসেছে। খুব খে...

kashmir trip

ভূস্বর্গ কাশ্মীরের আকর্ষণ বোধহয় অমোঘ তাই কয়েকবার যাওয়া হলেও বারবারই হাতছানি দেয় কাশ্মীর তার সৌন্দর্যের ডালি বাড়িয়ে। তাই দুহাজার পনেরোর পর আবার কাশ্মীরে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে আমরা ব‍্যস্ত হয়ে পড়লাম। দুহাজার এগারোতে গেছিলাম কাশ্মীর বেড়াতে আর একটু মিলিয়ে নিতে যে ছোটবেলায় বাবা মায়ের হাত ধরে যে কাশ্মীর দেখেছি তা এখনও কতটা সুন্দর। ভরিয়ে দিয়েছিল ভূস্বর্গের মনভোলানো সৌন্দর্য্য। দুহাজার পনেরোতে গেছিলাম অমরনাথ যাত্রায় আর তার সাথে ঘুরে এসেছিলাম লেহ এবং লাদাক,অভিভূত হয়েছিলাম আরেকবার। তবে এবার গিয়ে বুঝতে পারলাম এ যাওয়াই শেষ নয় আরেকবার যেতে চাই অপরূপার রূপের সন্ধানে। পরে যদি সত‍্যিই কখনও যেতে পারি তবে চুপিচুপি বলব আবার সে কথা।   আসলে কাশ্মীরের সাথে আমরা যে জায়গারই তুলনা করি না কেন তা বোধহয় ফিকে পড়ে যায়।কাশ্মীরের রূপ,রঙ আর মোহ বোধহয় সম্পূর্ণ আলাদা। কোন কিছুর সাথেই বোধহয় মেলে না এই রূপের মাধুর্য। গাছে গাছে লাল আপেল ঝুলছে,সবুজ পহেলগাও যাবার পথে বেগুনী রঙের কেশরের ফুল দেখতে দেখতে যাওয়া এই সৌন্দর্য যেমন অতুলনীয়,ঠিক তেমনি অতুলনীয় বরফ বিছানো সাদা পথের পাশে জমে যাওয়া ন‍্যাড়া গাছের সারি দেখা। অথবা ঝুরো ব...

রাজযোটক

ছোটবেলা থেকেই মায়ের কাছে সবসময় শুনতাম মেয়ে তো নয় যেন তালগাছ। ছয় বছরের মেয়েকে লোকে দশবছর বলে দেখে। আমি ভাবতাম আমি কী দোষ করেছি বাপু? তবে মাঝে মাঝে ভগবানকে খুব দোষ দিতাম যখন দেখতাম ক্লাশ ফাইভে পড়া আমিটাকে লম্বু হবার অপরাধে একদম সিনিয়ার গ্ৰুপে ফেলে দেওয়া হল স্কুলের স্পোর্টসে।      অত‍্যন্ত উদ‍্যমের সাথে দৌড় শুরু করেও নাইন টেনের বাঘা মেয়েদের সাথে দৌড়ে আমি হাঁফিয়ে পড়লাম অবশেষে আমার পজিশন প্রথমই হল তবে সেটা শেষের দিক থেকে। মা অবশ‍্য এটা বলেই আমাকে স্বান্তনা দিল বলল প্রথম তো হয়েছিস মানে শেষের দিক থেকে। আমি লজ্জা পেয়ে বললাম কী যে বল মা,আমি তো লাস্টই হয়েছি। তবে যাক কনসোলেশন প্রাইজটা শেষে আমাকে মা দিয়েছিল। আমি তাতেই খুশি হয়েছিলাম। অবশ‍্য তারপর থেকে নিজেই বুঝেছিলাম আমার দৌড়ের কতদূর দৌড় তাই আর কষ্ট করে দৌড়োতে মাঠে না নেমে মস্তিষ্কের দৌড়ে নেমেছিলাম। মাকে বলেছিলাম আমার দ্বারা দৌড়নো হবে না,আমি ভালো করে পড়াশোনা করব। যাক খেলার প্রাইজ বলতে ঐ দু একবার কলসি মাথায় ব‍্যালেন্স করে পেয়েছি। আর তাতেই খুব খুশি হয়েছিলাম।    বয়েসের থেকে বেশি লম্বা হয়ে যাওয়াতে মা আমাকে আর ওয়ানে পড়তে পাঠাননি ...

invitation list

Path bari My friend circle:  School- Kankana Moitrayee Sunanda Sharmistha Jhuma Joyeeta Banani Susmita. Mamidi Swapna di Hira di Mou das Sagarika di Tulika Ratan Bubun Bhramar Pallabi  Shila দশরথ Nandita Saha Keya Ajanta Dipak Beni Durba Nanda Rupadi Sumita di  Arati di Iladi Swapna di school. Chandrima Monojkaku Poli Sanyal ( astrologer) Dasarath Dipak. বঙ্কিম দা সুবীরদা (ফেসবুক)